মডেল মেঘনা আলমের ডিজিটাল ডিভাইসে রাষ্ট্রবিরোধী উপাদান তদন্তের নির্দেশ
রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় দায়ের করা প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় মডেল মেঘনা আলমের জব্দ করা ম্যাকবুক, ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোনে রাষ্ট্রবিরোধী কোনো উপাদান আছে কিনা, তা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে, এসব ডিভাইসের মালিকানা যাচাই করে আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ জুলাই), ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ আজহারুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
এদিন, মেঘনা আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। বেলা ১১টা ৯ মিনিটে মামলার শুনানি শুরু হলে তিনি হাতে জায়নামাজ নিয়ে আদালতের কাঠগড়ায় ওঠেন।
শুনানিতে মেঘনার আইনজীবী মহসিন রেজা ও মহিমা বাঁধন, তার ম্যাকবুক, ল্যাপটপ, মোবাইল ও পাসপোর্ট ফেরত দেওয়ার আবেদন জানান।
তবে, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ এর বিরোধিতা করে বলেন, এটি একটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর মামলা। তিনি জানান, গত ১০ এপ্রিল বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৩০ দিনের আটকাদেশে মেঘনাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল, যা পরে বাতিল হয়। গত ১৭ এপ্রিল ধানমন্ডি থানার এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং ২৮ এপ্রিল আদালত তার জামিন মঞ্জুর করলে ২৯ এপ্রিল তিনি কারামুক্ত হন।
মামলার অভিযোগে জানা যায়, মেঘনা আলম ও দেওয়ান সমিরসহ অজ্ঞাত ২-৩ জন একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা সুন্দরী তরুণীদের দিয়ে বাংলাদেশে কর্মরত বিভিন্ন বিদেশি রাষ্ট্রের কূটনীতিক/প্রতিনিধি ও দেশীয় ধনাঢ্য ব্যবসায়ীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলতেন। এরপর অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন করিয়ে কৌশলে বিভিন্ন উপায়ে সম্মানহানির ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করতেন। দেওয়ান সমিরকে ‘কাওয়াই গ্রুপ’ নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সিইও এবং ‘সানজানা ইন্টারন্যাশনাল’ নামক একটি জনশক্তি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের মালিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
Rang Tv News & entertainment
