শিরোনাম

যুদ্ধ বন্ধ করতে একমাত্র ট্রাম্পই পারেন: ড্যানিয়েল কার্টজার

নিজেকে শান্তির দূত হিসেবে দাবি করা সত্ত্বেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিলিস্তিনের গাজা সিটিতে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় নীরব রয়েছেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তার এই নীরবতাকে নেতানিয়াহু প্রশাসন একটি সবুজ সংকেত হিসেবে ধরে নিয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) হোয়াইট হাউসের বাইরে ট্রাম্প বলেছেন যে, তিনি এই বিষয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কোনো আলোচনা করেননি।

সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যানিয়েল সি কার্টজার বলেন, “ট্রাম্প স্পষ্টতই যুদ্ধের অবসান ও জিম্মিদের মুক্তি চান। কিন্তু তার কাছে নেতানিয়াহুকে চাপ দেওয়ার কোনো কৌশল নেই। ট্রাম্প হামাসকে হুমকি দেন, আর নেতানিয়াহু সেটিকে সবুজ সংকেত হিসেবে ধরে নেন।” কার্টজার আরও বলেন, যুদ্ধ বন্ধ করতে এখন একমাত্র ট্রাম্পই ভূমিকা রাখতে পারেন, তবে তাকে কথা না বলে কাজ করে দেখাতে হবে।

বারাক ওবামা ও জো বাইডেন প্রশাসনের মধ্যপ্রাচ্য নীতি বিশেষজ্ঞ ইলান গোল্ডেনবার্গ বলেন, “ট্রাম্প প্রশাসনের শুরুতে মনে হয়েছিল যুদ্ধবিরতির চুক্তি এগোবে। ট্রাম্প তার প্রভাব খাটিয়ে যুদ্ধ বন্ধ করবেন। কিন্তু তা হয়নি। বরং প্রতিটি ধাপে তিনি নেতানিয়াহুকে এক প্রকার ‘ব্ল্যাংক চেক’ দিয়েছেন।”

ইসরায়েলের অভিযান শুরুর ঘোষণা দেওয়ার সময় ট্রাম্পের নীরবতা এবং সংযমের আহ্বান না জানানোকে তার ‘ল্যাসে ফেয়ার’ অবস্থান হিসেবে ধরা হচ্ছে। ফরাসি ভাষার এই বাক্যের অর্থ হলো, “কাউকে যা খুশি তা করতে দেওয়া।” গাজার বিষয়ে ট্রাম্প যেন এমন নীতিই নিয়েছেন যে, যা হওয়ার হবে।

এছাড়াও দেখুন

গির্জায় ফায়ারিং: হামলাকারীর নাম প্রকাশ করল পুলিশ।

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে একটি গির্জায় বন্দুকধারীর গুলিবর্ষণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ৪ জন নিহত এবং …