বাংলাদেশসহ এশিয়া ও আফ্রিকার ৯টি দেশের ওপর সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে—সম্প্রতি এমন একটি খবর ছড়িয়ে পড়েছে। তবে আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. তারেক আহমেদ এই খবরকে স্রেফ ‘ভুয়া’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি এই ঘটনাকে একটি ‘দুরভিসন্ধিমূলক প্রচারণা’ বলেও অভিহিত করেছেন।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসা নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত একটি খবর কিছু অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ওই খবরে বলা হয়, বাংলাদেশসহ ৯টি দেশের নাগরিকদের ওপর ইউএই নতুন ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, যা ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাষ্ট্রদূত মো. তারেক আহমেদ বলেন, “সরকারিভাবে এমন কোনো নোটিফিকেশন আমরা পাইনি। আমাদের কাছে এটি একটি দুরভিসন্ধিমূলক প্রচারণা বলেই মনে হয়েছে।”
প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয় যে, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলোর নাগরিকরা চাকরি, পর্যটন ও ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে আমিরাতে প্রবেশ করতে পারবেন না। দাবিকৃত দেশগুলোর মধ্যে ছিল উগান্ডা, সুদান, সোমালিয়া, ক্যামেরুন, লিবিয়া, আফগানিস্তান, ইয়েমেন, লেবানন এবং বাংলাদেশ। প্রতিবেদনে বলা হয়, এই দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য বর্তমানে পর্যটন ও কর্মসংস্থানের ভিসার আবেদন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এছাড়া, আমিরাতের অভিবাসন বিভাগের একটি কথিত বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে বলা হয় যে, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকদের ভিসা আবেদন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যাচাই-বাছাই করা হবে না। তবে রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ এই সব তথ্যকে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছেন।
বাংলাদেশসহ এশিয়া ও আফ্রিকার ৯টি দেশের ওপর সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে—সম্প্রতি এমন একটি খবর ছড়িয়ে পড়েছে। তবে আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. তারেক আহমেদ এই খবরকে স্রেফ ‘ভুয়া’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি এই ঘটনাকে একটি ‘দুরভিসন্ধিমূলক প্রচারণা’ বলেও অভিহিত করেছেন।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসা নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত একটি খবর কিছু অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ওই খবরে বলা হয়, বাংলাদেশসহ ৯টি দেশের নাগরিকদের ওপর ইউএই নতুন ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, যা ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাষ্ট্রদূত মো. তারেক আহমেদ বলেন, “সরকারিভাবে এমন কোনো নোটিফিকেশন আমরা পাইনি। আমাদের কাছে এটি একটি দুরভিসন্ধিমূলক প্রচারণা বলেই মনে হয়েছে।”
প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয় যে, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলোর নাগরিকরা চাকরি, পর্যটন ও ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে আমিরাতে প্রবেশ করতে পারবেন না। দাবিকৃত দেশগুলোর মধ্যে ছিল উগান্ডা, সুদান, সোমালিয়া, ক্যামেরুন, লিবিয়া, আফগানিস্তান, ইয়েমেন, লেবানন এবং বাংলাদেশ। প্রতিবেদনে বলা হয়, এই দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য বর্তমানে পর্যটন ও কর্মসংস্থানের ভিসার আবেদন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এছাড়া, আমিরাতের অভিবাসন বিভাগের একটি কথিত বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে বলা হয় যে, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকদের ভিসা আবেদন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যাচাই-বাছাই করা হবে না। তবে রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ এই সব তথ্যকে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছেন।
Rang Tv News & entertainment
