অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন নিজের এক ব্যক্তিগত স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তার জীবনের এক অন্ধকার সময়ের কথা প্রকাশ করেছেন। বাঁধন বলেন, তার জীবনের সবথেকে বড় শিক্ষা এসেছে কষ্ট, বিশ্বাসঘাতকতা এবং অপমানের মধ্য দিয়ে। এই অভিজ্ঞতাগুলো তার ব্যক্তিত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
আরো পড়ুন বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কতা সাইবার হামলার
বাঁধন বিশেষভাবে তার মেয়ের অভিভাবকত্ব মামলার সময় ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে তার সাবেক স্বামী, কিছু সহযোগী ও একজন পরিচিত ফটোসাংবাদিকের সহায়তায় তার বিরুদ্ধে একটি নোংরা প্রচারণা শুরু করেন। উদ্দেশ্য ছিল তাকে ‘খারাপ মা’ এবং ‘লজ্জাহীন নারী’ হিসেবে প্রমাণ করা। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তার ছবিসহ মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশিত হয়, যা তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে।
এই কঠিন সময়ে বাঁধন বুঝতে পারেন, যারা তার আপনজন ছিলেন, তারাও নীরব ছিলেন। শুধুমাত্র কিছু সাংবাদিক বন্ধু ও অচেনা শুভাকাঙ্ক্ষীরা তার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। বাঁধন জানান, সবচেয়ে কষ্টকর ছিল তার প্রতি করা বিশ্বাসঘাতকতা। তিনি বলেন, ‘সে ছিল আমার সন্তানের বাবা, কিন্তু আমাকে ধ্বংস করার পথ বেছে নিয়েছিল। আমি তাকে ভালোবাসতাম না, কিন্তু তাকে বিশ্বাস করতাম, আর সেই বিশ্বাসটাই সে নির্মমভাবে ভেঙে দিয়েছিল।’
এই দুঃখজনক ঘটনার পর এক বন্ধুর স্বামীর উপদেশ তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। তিনি প্রতিশোধের পথ বাদ দিয়ে নীরবতা, সত্য এবং আত্মসম্মানের পথ বেছে নেন। বাঁধন বলেন, এই কঠিন সিদ্ধান্ত তাকে এক ভিন্ন শক্তি দিয়েছে। এখন যখন কেউ তাকে আক্রমণ করতে চায়, তিনি নীরব থাকেন এবং সেই নীরবতাই তাদের জন্য সবচেয়ে বড় শাস্তি।
Rang Tv News & entertainment
