শিরোনাম

সীমানা পুনর্বিন্যাস ভাঙ্গার মানুষ কেন এত ক্ষুব্ধ?

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাস এবং পুলিশের মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভকারীরা উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন। মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে বিক্ষোভকারীরা ঢাকা-খুলনা এবং ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের অন্তত ৬টি পয়েন্টে অবরোধ শুরু করলে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, বিক্ষোভকারীরা মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে আগুন জ্বালিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন, যার ফলে ঢাকার সঙ্গে ২১ জেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনের চালকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে বিক্ষুব্ধরা ভাঙ্গা থানা, উপজেলা পরিষদ, নির্বাচন অফিসসহ বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় ভাঙচুর ও আগুন দেন। এ সময় তারা ভাঙ্গা থানা ও ট্রাফিক পুলিশ কার্যালয় ঘেরাও করে এবং পুলিশের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করেন। এমনকি সেনাবাহিনীর এপিসি লক্ষ্য করেও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।

এই সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। মাইটিভির সাংবাদিক সারোয়ার হোসেনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে এবং যমুনা টিভির প্রতিনিধি আব্দুল মান্নানসহ আরও কয়েকজন আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আগের দিন ইউএনও’র সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকায় আন্দোলনকারীরা সাংবাদিকদের ‘দালাল’ আখ্যা দিয়েছিলেন। ইউএনও মো. মিজানুর রহমান জানান, তার কার্যালয়ের কিছু অংশে ভাঙচুর করা হয়েছে এবং নির্বাচন কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সংঘর্ষে কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে।

প্রসঙ্গত, গত ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করে ভাঙ্গার দুটি ইউনিয়নকে ফরিদপুর-৪ থেকে ফরিদপুর-২ আসনে যুক্ত করে, যার প্রতিবাদে এই আন্দোলন শুরু হয়।

এছাড়াও দেখুন

গাজায় যুদ্ধ বন্ধ আব্বাসের সম্মতি, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন মোড়?

ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘শান্তি পরিকল্পনাকে’ স্বাগত জানিয়েছেন। এই পরিকল্পনার …