কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার গুজাদিয়া ইউনিয়নের পূর্বচরকরণশী গ্রামে এক আজব ঘটনা ঘটেছে। মাত্র ১৭ দিনের একটি বাছুর দুধ দিতে শুরু করেছে। এই ব্যতিক্রমী ঘটনা দেখার জন্য খামারি হারুনুর রশিদের বাড়িতে এখন উৎসুক জনতার ভিড় লেগেই আছে। কেউ দাঁড়িয়ে দুধ দোহন দেখছেন, আবার কেউ ছবি তুলছেন।
খামারি হারুনুর রশিদ জানান, দুই বছর আগে তিনি ৭৫ হাজার টাকায় একটি বকনা বাছুর কিনেছিলেন। এবার সেটি প্রথম একটি বাছুর জন্ম দিয়েছে। কিন্তু বাছুরটির জন্মের পর থেকেই তিনি খেয়াল করেন, এর ওলান অন্যান্য বাছুরের চেয়ে বড় এবং তাতে দুধও আসে। ঘটনাটি তিনি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের জানালে তারাও এসে দেখে গেছেন।
হারুনুর রশিদ আরও বলেন, “এই বাছুরের দুধ দেখতে এবং স্বাদেও গাভীর মতোই। বিষয়টিকে আমি আল্লাহর নিয়ামত মনে করছি। আমি নিজে এই দুধ খেয়েছি এবং আমার সন্তানদেরও খাইয়েছি।”
হারুনুর রশিদের বাবা আব্দুল কাদির বাচ্চু বলেন, তার ৭০ বছরের জীবনে তিনি এমন ঘটনা শোনেননি বা দেখেননি। সাবেক সেনা সদস্য মিজানুর রহমান জানান, চাকরির সুবাদে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরলেও এমন ঘটনা তার চোখে পড়েনি। তিনি বলেন, “নিজের চোখে না দেখলে এটি কেউ বিশ্বাস করবে না।”
করিমগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এম এম এ আউয়াল তালুকদার জানান, তার দীর্ঘ কর্মজীবনে এমন ঘটনা এটিই প্রথম। তিনি ধারণা করছেন, প্রোল্যাকটিন হরমোন নির্গত হওয়ার কারণে এমনটি ঘটেছে। তিনি আরও জানান, এই বাছুরের দুধ পান করলে কোনো সমস্যা হবে না এবং এর স্বাদ গাভীর দুধের মতোই হবে।
Rang Tv News & entertainment
